Showing posts with label ফরম পূরণ. Show all posts
Showing posts with label ফরম পূরণ. Show all posts

Tuesday, September 26, 2017

শিক্ষানবীশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফমর কি ভাবে পূরণ করব? (প্রথম অংশ :ব্যক্তিগত তথ্য )

7:52 AM 1

অনেক আবেদনকারীর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ফরম পূরণের পদ্ধতি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরমে দুটি অংশ। প্রথম অংশে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও দ্বিতীয় অংশে ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট। 

প্রথম অংশ (ব্যক্তিগত তথ্য)

১। কার বরাবর বা কোথায় আবেদন করবেন?


আপনি যে এলাকায় বসবার করেন অর্থাৎ যে ঠিকানা ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চান সে এলাকা বিআরটিএ’র যে সার্কেল অফিসের আওতায় সে ঠিকানা এখানে লিকতে হবে। যেমন ধরুন আপনি ঢাকার মিরপুর এলাকায় বসবাস করেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে খিলতে হবে “মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬”। ঢাকা মেট্রোপলিটন ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাসিন্দারা বাদে অন্য সকল গ্রাহক যে জেলায় বসবাস করেন বা যে জেলা থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে চান সে জেলার নাম লিখতে হবে। যেমন আপনি যদি গোপালগঞ্জ জেলায় বাস করেন এবং ঐ জেলা থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান তাহলে আপনাকে লিখতে হবে “গেপালগঞ্জ”। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় থানাসমূহকে ০৩ (তিন) টি মেট্রো সার্কেলের আওতায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আপনার এলাক কোন মেট্রো সার্কেলের আওতায় পরেছে তা নিচের ছক থেকে দেখে নিন:


(১) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ এর  ঠিকানা হলো: মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন।]
(২) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ এর ঠিকানা হলো: ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা (বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু(১ম বুড়িগঙ্গা সেতুর অপরপারে)। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন।]
(৩) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ এর ঠিকানা হলো: দিয়াবাড়ি, তুরাগ, উত্তরা, ঢাকা। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লক করুন।]
(৪) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা বাদে ঢাকা জেলার গ্রাহকদের জন্য ঢাকা জেলা সার্কেল হবে তার ঠিকানা হলো: ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা (বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু(১ম বুড়িগঙ্গা সেতুর অপরপারে)। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন।]

২। কোন ধরণের মোটরযান চালনার জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স চান?

শুধু মাত্র মোটর সাইকেল চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “মোটর সাইকেল”-এ  টিক দিন। শুধু মাত্র প্রাইভেট কার চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “হালকা মানের মোটরযান”-এ টিক দিন। যদি  মোটর সাইকেল ও প্রাইভেট কার বা হালকা মানের মোটরযান উভয় চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স চান তাহলে “মোটর সাইকেল” এবং “হালকা মানের মোটরযান” - এ দুটিতেই টিক দিন। যদি কোন বিশেষ ধরণের মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স চান তাহলে “অন্যান্য..”-তে টিক দিয়ে মোটরযানের ধরণ লিখুন।

৩। ড্রাইভিং লাইসেন্সের টাইপ কি হবে? 
ড্রাইভিং লাইসেন্সের টাইপ দুই ধরনের (ক) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও (খ) অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স।

(ক) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কি? : যখন কোন ব্যক্তি গাড়ি চালনা বা ড্রাইভিং-কে পেশা হিসেবে নিতে চায় অর্থাৎ বেতনভোগী ড্রাইভার হতে চায় বা ভারার বিনিময়ে নিজের গাড়ি চালাতে চায় তাহলে তার জন্য পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নির্বাচন করতে হবে। 

(খ) অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কি? : যখন কোন ব্যক্তি নিজের গাড়ি চালাতে চায় তার জন্য অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রযোজ্য হবে। কিন্তু তিনি নিজের গাড়িতে ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী পরিবহন করতে পারবেন না।

এ অংশে আবেদন কারীর প্রকৃতি অনুযায়ী “পেশাদার” অথবা “অপেশাদার” -এ টিক দিবেন এবং অন্যটি কেটে দিবেন।  

৪। ব্যক্তিগত তথ্যঃ

লার্নার লাইসেন্স আবেদন ফর্মের ১ - ৩ নং ক্রমিকে সুস্পষ্ট অক্ষরে বাংলায় এবং এর পাশাপাশি / নিচে ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে আপনার নাম, পিতার নাম, স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা লিখতে হবে। ফরমটি বাংলায় হওয়া স্বত্বেও আপনার নাম, পিতার নাম, স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা ইংরেজিতে লিখে না দিলে বিআরটিএ অফিসে যে সকল অপারেটর আছে তারা প্রায়শই ইংরেজি বানানে ভুল করে। যার ফলে অনেক সময় অহেতুক ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়। আরও উল্লেখ্য যে, আবেদনকারীর নাম ও পিতার নাম জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/জন্ম সনদ অনুযায়ী হওয়া আবশ্যক।

৫। অন্যান্য তথ্য:

ক্রমিক নং ৪(ক) তে আপনার জন্ম তারিখ খিতে হবে যা জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/জন্ম সনদ অনুযায়ী হওয়া আবশ্যক। 

ক্রমিক নং ৪(খ)-তে আপনার রক্তের Group লিখতে হবে। (জাতীয় পরিচয়পত্রে রক্তের  Group থাকলেও অনেকসময় বিআরটিএ অফিস কর্তৃপক্ষ রক্তের Group পরীক্ষার রিপোর্টও চেয়েছেন এমন শোনা গেছে। কাজেই রক্তের Group পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে থাকলে ভাল হয়।) 

ক্রমিক নং ৫: নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ক্রমিক নং ৫-এ কিছু লিখার প্রয়োজন নেই বা প্রযোজ্য নয়।

ক্রমিক নং ৬: শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ থাকে ০৬(ছয়) মাস। ০৬(ছয়) মাস পর পুনরায় নতুন লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়। সেক্ষেত্রে ক্রমিক নং ৬ এ পুরাতন লার্নার লাইসেন্স নাম্বার ও ইস্যুর তারিখ লিখতে হবে।

ক্রমিক নং ৭: ক্রমিক নং ৭ ড্রাইভিং প্রশিক্ষকের নাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঠিকানা লিখতে হবে। অর্থাৎ আপনি যার কাছ থেকে ড্রাইভিং শিখছেন বা শিখবেন তার নাম ঠিকানা। মোটরসাইকেল চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এটি না লিখলেও চলে।

ক্রমিক নং ৮: ক্রমিক নং ৭ এ প্রদত্ত ড্রাইভিং প্রশিক্ষকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার ও ইস্যুর তারিখ লিখতে হবে। ক্রমিক নং ৭ প্রযোজ্য না হলে ক্রমিক নং ৮ ও প্রযোজ্য হবে না।

৬। তারিখ ও স্বাক্ষর: 

এ অংশে তারিখের জায়গায় যে দিন ফরম জমা দিবেন সে তারিখ ও ডান পাশে প্রার্থীর তিনটি স্বাক্ষর দিতে হবে।

এ পর্যন্ত লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরমে প্রথম অংশ সম্পন্ন হলো। এবার দ্বিতীয় অংশে ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পূরণ করে নিয়ে গেলে ডাক্তারের জন্য সুবিধা হবে। ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পূরণের পদ্ধতি জানার জন্য “শিক্ষানবীশ বা লার্নার ড্রাইভিং ফমর কি ভাবে পূরণ করব? (দ্বিতীয় অংশ : ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট)” পোস্টটি দেখার অনুরোধ রইল।



বি:দ্র: কোন ধাপ বুঝতে অসুবিধা হলে বা এ ধাপগুলোর মধ্যে কোন অসংগতি দেখা দিলে দয়া করে নিচে কমেন্ট করুন।

Monday, September 25, 2017

শিক্ষানবীশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফমর কি ভাবে পূরণ করব? (দ্বিতীয় অংশ : ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট)

9:16 AM 2
দ্বিতীয়  অংশ (ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট)

ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট কি?
ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট হচ্ছে এমন একটি সনদ বা সার্টিফিকেট যাতে একজন নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড ডাক্তার আপনার স্বাস্থ্যগত অবস্থার সনদ প্রদান করেন।

নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড ডাক্তার কে এবং তাকে কোথায় পাব?
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ডাক্তারি পাশ করার পর একজন ডাক্তার-কে রোগী দেখার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হতে হয়। শুধু মাত্র নিবন্ধিত ডাক্তারগণ রোগী দেখার পর ব্যবস্থাপত্র বা প্রেসক্রিপশন দিতে পারেন। আপনার আশে পাশে যে সকল ডাক্তার সরকারি ভাবে নিবন্ধিত তাদের কাছ থেকে এ সনদে স্বাক্ষর ও সিল নিতে পারেন। তবে প্রথমে জেনে নিন তার ডাক্তারি নিবন্ধন নাম্বার আছে কি না।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পূরণ:



ক্রমিক  নং ১ এ আপনার বয়স লিখেতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(ক)-তে আপনার "দৃষ্টি শক্তির কোন ত্রুটি নেই” অথবা “দৃষ্টি শক্তির ত্রুটি আছে কিন্তু চশমা দ্বারা সঠিক করা হয়েছে" কথাটি লিখেতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(খ)-তে আপনি সহজে সবুজ ও লাল রং চিহ্নিত করতে পারেন কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(গ)-তে রাতকানা রোগে ভুগছেন কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(ঘ)-তে আপনার কোন বধিরতা রোগে ভুগছেন কি না অর্থাৎ কানে শুনতে অসুবিধে আছে কি না তা উলে।লখ করতে হবে। 


ক্রমিক  নং ৩: আপনার শরীরে এমন কোন অঙ্গহানি আছে কি না যা মোটরযান চালাতে অসুবিধে সৃষ্টি  করে তা ক্রমিক নং ৩ এ লিখতে হবে। [তবে শারীরিক প্রতিবন্ধীগণ নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিশেষভাবে মোডিফাইড মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে পারেন।]

ক্রমিক  নং ৪: আবেদনকারীর মদ বা ড্রাগ আসক্তি আছে কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক নং ৫:  আবেদনকারীর দৃষ্টি শক্তি সাধারণভাবে সঠিক আছে কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক  নং ৬: আবেদনকারীর সনাক্তকরণ চিহ্ন যেমন জন্ম দাগ বা লক্ষণীয় কাটা দাগ ইত্যাদি থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে।



 উপরের প্রত্যয়নের অংশে আবেদনকারীর নাম লিখতে হবে। 
স্বাক্ষর অংশে ডাক্তারের স্বাক্ষর, নামে অংশে ডাক্তারের নাম এবং রেজিঃ নং অংশে ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার লিখতে হবে এবং ছবির ঘরে একটি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি দিতে হবে।



বি:দ্র: কোন ধাপ বুঝতে অসুবিধা হলে বা এ ধাপগুলোর মধ্যে কোন অসংগতি দেখা দিলে দয়া করে নিচে কমেন্ট করুন।

Sunday, September 24, 2017

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০১]

9:30 AM 0
বিআরটিএ’তে বর্তানে যে ৪-৫ পৃষ্ঠার স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম আছে তা পূরণ করাটা অনেকেই সমস্যা মনে করেন। কিন্তু এ ফরম পূরণের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকলে অতি সহজেই কোনরকম জটিলতা ছাড়াই এ ফরম করতে পারবেন। এ ফরম পূরণের প্রতি ধাপ এখানে আলোচনা করা হলো। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম দ’টি সেকশনে ভাগ কা হয়েছে। সেকশন-এ’তে ব্যক্তিগত তথ্য এবং সেকশন-বি’তে ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কিত তথ্য পূরণ করতে হবে। 
প্রথম ধাপ


ক্রমিক নং ১: এ অংশে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে পূরণ করতে হবে। প্রতিটি ঘরে একটি করে নম্বর বা ডিজিট বসবে। বাম পাশ থেকে নম্বর বসানো শুরু করতে হবে। অবশিষ্ট ঘরগুলো এক টানে কেটে দিতে হবে।

ক্রমিক নং ২: এ অংশে আবেদনকারীর জন্ম তারিখ লিখতে হবে। (ক) প্রথম দুই ঘরে তারিখ লিখতে হবে। তারিখ যদি এক সংখ্যার হয় তাহলে তার পূর্বে  ০ (শূন্য) বসাতে হবে। যেমন জন্ম তারিখ যদি কোন মাসে ৫ তারিখ হয় তাহলে প্রথম ঘরে ০ ও দ্বিতীয় ঘরে ৫ লিখতে হবে। (খ) তৃতীয় ও চতুর্থ ঘরে মাসে সংখ্যা লিখতে হবে। জন্ম মাস জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর -এর মধ্যে হয় তাহলে মাসের সংখ্যার পূর্বেও একটি ০ (শূন্য) বসাতে হবে। যেমন- আবেদনকারীর জন্ম মাস ফেব্রুয়ারি হয় তাহলে তৃতীয় ঘরে ০ এবং চতুর্থ ঘরে ২ লিখতে হবে অর্থাৎ মাস হবে ০ ২। (গ) পঞ্চম ঘর থেকে অষ্টম ঘর পর্যন্ত জন্ম সাল লিখতে হবে এবং প্রতিটি ঘরে ১টি করে নম্বর বা ডিজিট লিখতে হবে। যেমন - 1 9 8 1 । আবেদনকারীর জন্ম তারিখ যদি 5 ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ হয় তাহলে লিখতে হবে 0 5 0 2 1 9 8 1। 


ক্রমিক নং ৩:  (ক) এ অংশে আবেদনকারীর নাম ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটারে লিখতে হবে। প্রতিটি ঘরে একটি করে অক্ষর হবে এবং নামের একটি অংশ শেষ হলে এক ঘর ফাকা রেখে নামের পরের অংশ লিখতে হবে। অবশিষ্ট ঘরগুলো এক টানে কেটে দিতে হবে। (খ) ইংরেজি নাম লেখা অংশের নিচে বাংলায় নাম লেখার জায়গা আছে সেখানে স্পষ্ট অক্ষরে বাংলায় আবেদনকারীর নাম লিখতে হবে। 

ক্রমিক নং ৪: (ক) এ অংশে আবেদনকারীর পিতার নাম ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটারে লিখতে হবে। প্রতিটি ঘরে একটি করে অক্ষর হবে এবং নামের একটি অংশ শেষ হলে এক ঘর ফাকা রেখে নামের পরের অংশ লিখতে হবে। অবশিষ্ট ঘরগুলো এক টানে কেটে দিতে হবে। (খ) ইংরেজি পিতার নাম লেখা অংশের নিচে বাংলায় পিতার নাম লেখার জায়গা আছে সেখানে স্পষ্ট অক্ষরে বাংলায় আবেদনকারীর পিতার নাম লিখতে হবে। 

ক্রমিক নং ৫: (ক) এ অংশে আবেদনকারীর মাতার নাম ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটারে লিখতে হবে। প্রতিটি ঘরে একটি করে অক্ষর হবে এবং নামের একটি অংশ শেষ হলে এক ঘর ফাকা রেখে নামের পরের অংশ লিখতে হবে। অবশিষ্ট ঘরগুলো এক টানে কেটে দিতে হবে। (খ) ইংরেজি মাতার নাম লেখা অংশের নিচে বাংলায় পিতার নাম লেখার জায়গা আছে সেখানে স্পষ্ট অক্ষরে বাংলায় আবেদনকারীর মাতার নাম লিখতে হবে। 


ক্রমিক নং 6: আবেদনকারী ছেলে হলে Male এবং মেয়ে হলে Female -এ টিক দিতে হবে।

ক্রমিক নং ৭: আবেদনকারী বিবাহিত হলে Married এ, অবিবাহিত হরে Unmarried এ, বিধবা বা বিপত্নীক হলে Widowed/Widower এ, ডিভোরসড হরে Divorced এ টিক দিতে হবে। 

ক্রমিক নং ৮: আবেদনকারী বিবাহিত, বিধবা বা বিপত্নীক অথবা ডিভোরসড হলে এ অংশে স্বামী বা স্ত্রীর নাম ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটারে লিখতে হবে। প্রতিটি ঘরে একটি করে অক্ষর হবে এবং নামের একটি অংশ শেষ হলে এক ঘর ফাকা রেখে নামের পরের অংশ লিখতে হবে। অবশিষ্ট ঘরগুলো এক টানে কেটে দিতে হবে। 

ক্রমিক নং ৯: এ অংশে আবেদনকারীর পেশা লিখতে হবে। আবেদনকারী যদি বেকার হয় তবে এ ঘর ফাকা রাখা যেতে পারে।

ক্রমিক নং ১০: এ অংশে আবেদনকারীর রক্তের গ্রুপ লিখতে হবে। যেমন:-  O + বা AB - ।


ক্রমিক নং ১1: এ অংশে আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা লিখতে হবে। (ক) House / Village / Road / Street-অংশে শহরের ঠিকানা হলে ফ্ল্যাট নং, বাড়ি নং ইত্যাদি লিখতে হবে আর গ্রামের ঠিকানা হলে বাড়ি নাম -যেমন- মোল্লা বাড়ি , গ্রামের নাম যেমন- কাঞ্চনপুর (মধ্যপড়া) ইত্যাদি লিখতে হবে।  (খ) Union অংশে শহরের ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রথম অংশ প্রদত্ত ঠিকানার অতিরিক্ত অংশ থাকলে তা লিখতে হবে আর গ্রামের ঠিকানা হলে ইউনিয়নের নাম লিখতে হবে। (গ) Upazilla/Town-অংশে উপজেলার নাম বা শহরের নাম লিখতে হবে। (ঘ) District/State -অংশে জেলার নাম লিখতে হবে। (ঙ) PostCode/ZIP অংশে পোস্ট কোড লিখতে হবে। আপনার পোস্ট অফিস থেকে এ কোড সংগ্রহ করতে পারেন। অথবা http://www.bangladeshpost.gov.bd/postcode.asp লিংক থেকেও পোস্ট কোড সংগ্রহ করতে পারেন।


ক্রমিক নং ১২: এ অংশে আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা লিখতে হবে। এ অংশ ক্রমিক নং 11 অনুরূপভাবে পূরণ করতে হবে। 

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম পূরণের বাকী অংশ দেখার জন্য স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০২] -তে ক্লিক করার অনুরোধ করা হলো।


Friday, September 22, 2017

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০২]

9:06 AM 1
এখানে “স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব?” এর দ্বিতীয় অংশ পর্যায়ক্রমে দেয়া হলো।  প্রথম অংশ দেখতে চাইলে “স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০১]” -এ ক্লিক করার জন্য অনুরোধ করা হলো।


ক্রমিক নং ১৩: এখানে আবেদনকারীর জাতীয়তা কি তা লিখতে হবে। বাংলাদেশী হলে “BANGLADESHI” লিখতে হবে। 

ক্রমিক নং ১৪: আবেদনকারী বাংলাদেশী নাগরিক হলে “No”-তে টিক দিবেন। আর আবেদনকারী যদি বাংলাদেশের নাগরিক না হয়ে অন্য কোন দেশের নাগরিক হলে ক্রমিক নং ১৩-তে তার জাতীয়তা লিখবে এবং ক্রমিক নং ১৪ এর “Yes”--এ ক্লিক করে “country” লেখার ঘরে তাঁর দেশের নাম লিখবেন।


ক্রমিক নং ১৫: এখানে আবেদনকারীর যে সকল টেলিফোন, মোবাইল ফোনে পাওয়া যাবে তা লিখতে হবে। যাদের দেশের বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা আছে তাদের ক্ষেত্রে কান্ট্রি কোড (+88 ) সহ ফোন/মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। 

ক্রমিক নং ১৬: জরুরি প্রয়োজনে যেমন দুর্ঘটনায় পরলে আবেদনকারীর নিকট আত্মীয়ের সাথে যোগাযোগ করে তথ্য ও সহায়তা পাওয়া সম্ভব এমন কারো নাম, সম্পর্ক, মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল দিতে হবে।  


এ অংশ শুধুমাত্র বিদেশীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । বাংলাদেশী নাগরিকগণ এ অংশ ফাকা রাখবেন।

ক্রমিক নং ১৭: এ অংশে আবেদনকারীর বিদেশী ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার লিখতে হবে।

ক্রমিক নং ১৮: এ অংশে আবেদনকারীর পাসপোর্ট নাম্বার লিখতে হবে।

ক্রমিক নং ১৯: এ অংশে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা সোশাল সিকিউরিটি নাম্বার লিখতে হবে।




Thursday, September 21, 2017

স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০৩]

9:38 AM 0
এখানে “স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব?” এর তৃতীয়  অংশ পর্যায়ক্রমে দেয়া হলো। 
তৃতীয় অংশটি মূলত স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরমের দ্বিতীয় ধাপ। এ অংশে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।   এখানে “স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০৩]” - পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হলো।


দ্বিতীয় ধাপ


ক্রমিক নং ২০: এখানে বিআরটিএ অফিস কর্তৃক পূরণ করা হবে। আবেদনকারী এ ঘরটি ফাঁকা রাখবেন।

ক্রমিক নং ২১: এখানে আবেদনকারী ব্যাংকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি জমা দিলে ব্যাংক তেকে যে মাটি রিসিপ্ট দিবেন তাতে একটি ১৩ ডিজিটের ব্যাংক ট্রানজেকশন নাম্বার থাকে সেটি এ ঘরে বসাতে হবে। ট্রানজেকশন নাম্বার কোথায় পাবেন তার একটা নমুনা নিচে চিত্রে দেওয়া হলো। 


উল্লেথ্য যে, অনেকে ট্রানজেকশন নাম্বারের পরিবর্তে  ই-ট্র্যাকিং নাম্বার দিয়ে থাকেন। একটু খেয়াল করবেন ট্রানজেকশন নাম্বার ই-ট্র্যাকিং নাম্বারের উপরে থাকে।


ক্রমিক নং ২২:  ক্রমিক নং ২২ নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য নয়। যে সকল আবেদনকারী ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন, ডুপ্লিকেট কপি, তথ্য বা বানান সংশোধন ইত্যাদি কাজের জন্য আবেদন করবেন অর্থাৎ যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে তারা তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার এখানে লিখবেন। 

ক্রমিক নং ২৩:  ড্রাইভিং লাইসেন্সটি বাংলায় চাইলে “বাংলা” অথবা ইংরেজিতে চাইলে “ইংরেজি”-তে টিক দিতে হবে। তবে,  “ইংরেজি”-তে টিক দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে, কারণ দেশের বাইরে ইংরেজি ড্রাইভিং লাইসেন্সের গ্রহণযোগ্যতা আছে। 


ক্রমিক নং ২৪: এখানে আবেদনকারীর প্রকৃতি কি তাতে টিক দিতে হবে। যেমন- সাধারণ নাগরিক হলে “General”-এর ঘরে টিক দিতে হবে। আর্মি, নৌবাহিনি বা এয়ারফোর্সের সদস্য হলে “Defense Personnel”-এর ঘরে টিক দিবেন। বিদেশী হলে “Foreigner”-এর ঘরে টিক দিবেন।   কূটনীতিজ্ঞ হলে “Diplomat”-এর ঘরে টিক দিবেন।

ক্রমিক নং ২৫: এখানে আবেদনের ধরন নির্বাচন করতে হবে। যেমন :- 
(a) লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “a) Learner License”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(b) নতুন স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করলে “b) DL issue”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(c) ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করলে “c) Renewal”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(d) ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর প্রতিলিপি বা ডুপ্লিকেট কপির জন্য আবেদন কররে “d) Duplicate”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(e) বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের সাথে মোটরযানের শ্রেণি সংযোজন করতে চাইলে অর্থাৎ হালকা মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে তার সাথে মোটরসাইকেল যোগ করতে চাইলে বা মোটরসাইকেল চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে তার সাথে প্রাইভেট কার সংযোজন করতে চাইলে “e) Addition to DL”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(f) বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সে মোটরযানের শ্রেণি পরিবর্তন করতে চাইলে অর্থাৎ হালকা মানের মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে তা এখন মধ্যম মানের মোটরযান চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “f) Change of Vehicle Class”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(g) বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকৃতি পরিবর্তন করতে চাইলে অর্থাৎ পেশাদার আছে অপেশাদার করতে চাইলে বা অপেশাদার আছে পেশাদার করতে চাইলে “g) Change Type of License”-এর ঘরে টিক দিবেন; 
(h) পাবলিক সার্ভিস ভেহিকল (পিএসভি) লাইসেন্স অর্থাৎ ভারি মোটরযান যেমন বড় বাস বা বড় ট্রাক চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “h) PSV”-এর ঘরে টিক দিবেন (সরাসরি পিএসভি লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ নেই); 
(i) ড্রাইভিং লাইসেন্সে ঠিকানা পরিবর্তন করতে চাইলে “i) Change of Address”-এর ঘরে টিক দিবেন। 


ক্রমিক নং ২৬: শুধুমাত্র নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনের ক্ষেত্রে এঘরে প্রশিক্ষকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার লিখতে হবে। তবে মোটরসাইলের ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়।

ক্রমিক নং ২৭: ড্রাইভিং লাইসেন্সের ধরণ পেশাদার হলে “Professional”-এর ঘরে টিক দিতে হবে অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ধরণ অপেশাদার হলে “Non-Professional”-এর ঘরে টিক দিতে হবে। 


ক্রমিক নং ২৮: এ অংশে মোটরযানে শ্রেণি নির্বাচন করতে হব। 
a(i) যারা নতুন পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন তার আবেদনের ধরণ অনুযায়ী মোটরযানের শ্রেণি “Three Wheeler” অথবা “Light Vehicle” অথবা উভয় ঘরেই টিক দিবেন। 
a(ii) যারা পেশাদার হালকা মানের মোটরযানের ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে মধ্যম মানের মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন তারা “Medium Vehicle”-এর ঘরে টিক দেবেন।
a(iii) যারা পেশাদার মধ্যম মানের মোটরযানের ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে ভারি মানের মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন তারা “Heavy Vehicle”-এর ঘরে টিক দেবেন।
a(iv) যদি বিশেষ ধরণের মোটরযান চালনার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চান তাহলে  "Others"- ঘরে টিক দিবেন এবং specify: অংশে তা লিখে দিবেন।

b(i) যারা নতুন অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবেন তার আবেদনের ধরণ অনুযায়ী মোটরযানের শ্রেণি “Motorcycle” অথবা “Light Vehicle” অথবা উভয় ঘরেই টিক দিবেন।
b(ii) যদি বিশেষ ধরণের মোটরযান চালনার অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে চান তাহলে  "Others"- ঘরে টিক দিবেন এবং specify: অংশে তা লিখে দিবেন।


স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম পূরণের বাকী অংশ দেখার জন্য স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরম কি ভাবে পূরণ করব? [পার্ট-০৪] -তে ক্লিক করার অনুরোধ করা হলো।