Showing posts with label শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্স. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্স. Show all posts

Sunday, December 24, 2017

মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে জেনে নিন আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রস্তুতের বর্তমান অবস্থা

7:53 AM 127
বর্তমানে মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রস্তুতের কোন ধাপে আছে তা জানা যায়। আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রস্তুতের বর্তমান অস্থা জানতে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুনঃ
(১) মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে “DL<space> রেফারেন্স নম্বর” টাইপ করুন;
(২) মেসেজটি 6969 নম্বরে পাঠিয়ে দিন;
(৩) ফিরতি মেসেজে চিপযুক্ত স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রস্তুতের বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন।
[ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বায়ো মেট্রিক্স সম্পন্ন করার পর বিআরটিএ থেকে যে এ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ দেওয়া হয় তাতে রেফারেন্স নাম্বার উল্লেখ থাকে।]

উদাহরণ:
Type:  DL DM121590 & Send to 6969
     

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা:

১। ​ রেফারেন্স নম্বর এ যদি কোনো ডেশ (“-”) থাকলে তা বাদ দিতে হবে। কিন্তু যদি স্ল্যাশ (“/”) থাকে তবে তা দিতে হবে।

২। যদি আপনি নবায়নের জন্য আবেদন করে থাকেন তবে আপনার ফিরতি মেসেজে যদি পূর্বের ইস্যুকৃত ড্রাইভিং লাইসেন্স এর “QC Date” প্রদর্শন করে তবে বুঝবেন এখনো সার্কেল অফিস থেকে আপনার আবেদনটির  নবায়নের কার্যক্রম সম্পন্ন করা  হয়নি।

ফিরতি মেসেজ নিম্নলিখিতগুলো সাধারণত পাওয়া যায়, এর ভিন্ন কোনো মেসেজ হলে কর্তৃপক্ষের সহিত যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো :

  • Your Driving License is pending processing.
  • Printing of your Driving License is in progress.
  • Your Driving License has been approved and awaiting printing.
  • Your Driving License has been printed and awaiting quality assurance.
  • Quality assurance of your Driving License has completed and awaiting packaging.
  • Your Driving License has been packed and awaiting shipment.
  • Your Driving License is awaiting shipment.
  • Your Driving License is ready for shipment but has not yet reached your point of collection.
  • Your Driving License application has not yet been approved.
  • Printing of your Driving License is in progress.
  • Your Driving License has been printed and awaiting quality assurance.

Tuesday, September 26, 2017

শিক্ষানবীশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফমর কি ভাবে পূরণ করব? (প্রথম অংশ :ব্যক্তিগত তথ্য )

7:52 AM 1

অনেক আবেদনকারীর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ফরম পূরণের পদ্ধতি নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরমে দুটি অংশ। প্রথম অংশে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও দ্বিতীয় অংশে ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট। 

প্রথম অংশ (ব্যক্তিগত তথ্য)

১। কার বরাবর বা কোথায় আবেদন করবেন?


আপনি যে এলাকায় বসবার করেন অর্থাৎ যে ঠিকানা ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে চান সে এলাকা বিআরটিএ’র যে সার্কেল অফিসের আওতায় সে ঠিকানা এখানে লিকতে হবে। যেমন ধরুন আপনি ঢাকার মিরপুর এলাকায় বসবাস করেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে খিলতে হবে “মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬”। ঢাকা মেট্রোপলিটন ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার বাসিন্দারা বাদে অন্য সকল গ্রাহক যে জেলায় বসবাস করেন বা যে জেলা থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে চান সে জেলার নাম লিখতে হবে। যেমন আপনি যদি গোপালগঞ্জ জেলায় বাস করেন এবং ঐ জেলা থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান তাহলে আপনাকে লিখতে হবে “গেপালগঞ্জ”। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় থানাসমূহকে ০৩ (তিন) টি মেট্রো সার্কেলের আওতায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আপনার এলাক কোন মেট্রো সার্কেলের আওতায় পরেছে তা নিচের ছক থেকে দেখে নিন:


(১) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ এর  ঠিকানা হলো: মিরপুর-১৩, ঢাকা-১২১৬। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন।]
(২) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ এর ঠিকানা হলো: ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা (বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু(১ম বুড়িগঙ্গা সেতুর অপরপারে)। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন।]
(৩) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ এর ঠিকানা হলো: দিয়াবাড়ি, তুরাগ, উত্তরা, ঢাকা। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লক করুন।]
(৪) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা বাদে ঢাকা জেলার গ্রাহকদের জন্য ঢাকা জেলা সার্কেল হবে তার ঠিকানা হলো: ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা (বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সেতু(১ম বুড়িগঙ্গা সেতুর অপরপারে)। [লোকেশন ম্যাপের জন্য এখানে ক্লিক করুন।]

২। কোন ধরণের মোটরযান চালনার জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স চান?

শুধু মাত্র মোটর সাইকেল চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “মোটর সাইকেল”-এ  টিক দিন। শুধু মাত্র প্রাইভেট কার চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স চাইলে “হালকা মানের মোটরযান”-এ টিক দিন। যদি  মোটর সাইকেল ও প্রাইভেট কার বা হালকা মানের মোটরযান উভয় চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স চান তাহলে “মোটর সাইকেল” এবং “হালকা মানের মোটরযান” - এ দুটিতেই টিক দিন। যদি কোন বিশেষ ধরণের মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স চান তাহলে “অন্যান্য..”-তে টিক দিয়ে মোটরযানের ধরণ লিখুন।

৩। ড্রাইভিং লাইসেন্সের টাইপ কি হবে? 
ড্রাইভিং লাইসেন্সের টাইপ দুই ধরনের (ক) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও (খ) অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স।

(ক) পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কি? : যখন কোন ব্যক্তি গাড়ি চালনা বা ড্রাইভিং-কে পেশা হিসেবে নিতে চায় অর্থাৎ বেতনভোগী ড্রাইভার হতে চায় বা ভারার বিনিময়ে নিজের গাড়ি চালাতে চায় তাহলে তার জন্য পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নির্বাচন করতে হবে। 

(খ) অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কি? : যখন কোন ব্যক্তি নিজের গাড়ি চালাতে চায় তার জন্য অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রযোজ্য হবে। কিন্তু তিনি নিজের গাড়িতে ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী পরিবহন করতে পারবেন না।

এ অংশে আবেদন কারীর প্রকৃতি অনুযায়ী “পেশাদার” অথবা “অপেশাদার” -এ টিক দিবেন এবং অন্যটি কেটে দিবেন।  

৪। ব্যক্তিগত তথ্যঃ

লার্নার লাইসেন্স আবেদন ফর্মের ১ - ৩ নং ক্রমিকে সুস্পষ্ট অক্ষরে বাংলায় এবং এর পাশাপাশি / নিচে ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে আপনার নাম, পিতার নাম, স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা লিখতে হবে। ফরমটি বাংলায় হওয়া স্বত্বেও আপনার নাম, পিতার নাম, স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা ইংরেজিতে লিখে না দিলে বিআরটিএ অফিসে যে সকল অপারেটর আছে তারা প্রায়শই ইংরেজি বানানে ভুল করে। যার ফলে অনেক সময় অহেতুক ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়। আরও উল্লেখ্য যে, আবেদনকারীর নাম ও পিতার নাম জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/জন্ম সনদ অনুযায়ী হওয়া আবশ্যক।

৫। অন্যান্য তথ্য:

ক্রমিক নং ৪(ক) তে আপনার জন্ম তারিখ খিতে হবে যা জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/জন্ম সনদ অনুযায়ী হওয়া আবশ্যক। 

ক্রমিক নং ৪(খ)-তে আপনার রক্তের Group লিখতে হবে। (জাতীয় পরিচয়পত্রে রক্তের  Group থাকলেও অনেকসময় বিআরটিএ অফিস কর্তৃপক্ষ রক্তের Group পরীক্ষার রিপোর্টও চেয়েছেন এমন শোনা গেছে। কাজেই রক্তের Group পরীক্ষার রিপোর্ট সাথে থাকলে ভাল হয়।) 

ক্রমিক নং ৫: নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ক্রমিক নং ৫-এ কিছু লিখার প্রয়োজন নেই বা প্রযোজ্য নয়।

ক্রমিক নং ৬: শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ থাকে ০৬(ছয়) মাস। ০৬(ছয়) মাস পর পুনরায় নতুন লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়। সেক্ষেত্রে ক্রমিক নং ৬ এ পুরাতন লার্নার লাইসেন্স নাম্বার ও ইস্যুর তারিখ লিখতে হবে।

ক্রমিক নং ৭: ক্রমিক নং ৭ ড্রাইভিং প্রশিক্ষকের নাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ঠিকানা লিখতে হবে। অর্থাৎ আপনি যার কাছ থেকে ড্রাইভিং শিখছেন বা শিখবেন তার নাম ঠিকানা। মোটরসাইকেল চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এটি না লিখলেও চলে।

ক্রমিক নং ৮: ক্রমিক নং ৭ এ প্রদত্ত ড্রাইভিং প্রশিক্ষকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নাম্বার ও ইস্যুর তারিখ লিখতে হবে। ক্রমিক নং ৭ প্রযোজ্য না হলে ক্রমিক নং ৮ ও প্রযোজ্য হবে না।

৬। তারিখ ও স্বাক্ষর: 

এ অংশে তারিখের জায়গায় যে দিন ফরম জমা দিবেন সে তারিখ ও ডান পাশে প্রার্থীর তিনটি স্বাক্ষর দিতে হবে।

এ পর্যন্ত লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরমে প্রথম অংশ সম্পন্ন হলো। এবার দ্বিতীয় অংশে ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পূরণ করে নিয়ে গেলে ডাক্তারের জন্য সুবিধা হবে। ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পূরণের পদ্ধতি জানার জন্য “শিক্ষানবীশ বা লার্নার ড্রাইভিং ফমর কি ভাবে পূরণ করব? (দ্বিতীয় অংশ : ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট)” পোস্টটি দেখার অনুরোধ রইল।



বি:দ্র: কোন ধাপ বুঝতে অসুবিধা হলে বা এ ধাপগুলোর মধ্যে কোন অসংগতি দেখা দিলে দয়া করে নিচে কমেন্ট করুন।

Monday, September 25, 2017

শিক্ষানবীশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফমর কি ভাবে পূরণ করব? (দ্বিতীয় অংশ : ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট)

9:16 AM 2
দ্বিতীয়  অংশ (ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট)

ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট কি?
ডাক্তারি সনদ বা মেডিক্যাল সার্টিফিকেট হচ্ছে এমন একটি সনদ বা সার্টিফিকেট যাতে একজন নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড ডাক্তার আপনার স্বাস্থ্যগত অবস্থার সনদ প্রদান করেন।

নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড ডাক্তার কে এবং তাকে কোথায় পাব?
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ডাক্তারি পাশ করার পর একজন ডাক্তার-কে রোগী দেখার জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হতে হয়। শুধু মাত্র নিবন্ধিত ডাক্তারগণ রোগী দেখার পর ব্যবস্থাপত্র বা প্রেসক্রিপশন দিতে পারেন। আপনার আশে পাশে যে সকল ডাক্তার সরকারি ভাবে নিবন্ধিত তাদের কাছ থেকে এ সনদে স্বাক্ষর ও সিল নিতে পারেন। তবে প্রথমে জেনে নিন তার ডাক্তারি নিবন্ধন নাম্বার আছে কি না।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য মেডিক্যাল সার্টিফিকেট পূরণ:



ক্রমিক  নং ১ এ আপনার বয়স লিখেতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(ক)-তে আপনার "দৃষ্টি শক্তির কোন ত্রুটি নেই” অথবা “দৃষ্টি শক্তির ত্রুটি আছে কিন্তু চশমা দ্বারা সঠিক করা হয়েছে" কথাটি লিখেতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(খ)-তে আপনি সহজে সবুজ ও লাল রং চিহ্নিত করতে পারেন কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(গ)-তে রাতকানা রোগে ভুগছেন কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক  নং ২(ঘ)-তে আপনার কোন বধিরতা রোগে ভুগছেন কি না অর্থাৎ কানে শুনতে অসুবিধে আছে কি না তা উলে।লখ করতে হবে। 


ক্রমিক  নং ৩: আপনার শরীরে এমন কোন অঙ্গহানি আছে কি না যা মোটরযান চালাতে অসুবিধে সৃষ্টি  করে তা ক্রমিক নং ৩ এ লিখতে হবে। [তবে শারীরিক প্রতিবন্ধীগণ নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিশেষভাবে মোডিফাইড মোটরযান চালনার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে পারেন।]

ক্রমিক  নং ৪: আবেদনকারীর মদ বা ড্রাগ আসক্তি আছে কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক নং ৫:  আবেদনকারীর দৃষ্টি শক্তি সাধারণভাবে সঠিক আছে কি না তা লিখতে হবে।

ক্রমিক  নং ৬: আবেদনকারীর সনাক্তকরণ চিহ্ন যেমন জন্ম দাগ বা লক্ষণীয় কাটা দাগ ইত্যাদি থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে।



 উপরের প্রত্যয়নের অংশে আবেদনকারীর নাম লিখতে হবে। 
স্বাক্ষর অংশে ডাক্তারের স্বাক্ষর, নামে অংশে ডাক্তারের নাম এবং রেজিঃ নং অংশে ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার লিখতে হবে এবং ছবির ঘরে একটি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি দিতে হবে।



বি:দ্র: কোন ধাপ বুঝতে অসুবিধা হলে বা এ ধাপগুলোর মধ্যে কোন অসংগতি দেখা দিলে দয়া করে নিচে কমেন্ট করুন।

Friday, September 8, 2017

ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা পদ্ধতি কি?

11:36 PM 0
শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সেই লিখিত, প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের ১৫-২০ মিনিট পূর্বেই পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ পরীক্ষা ৩টি ধাপে সম্পন্ন হবে। (ক) লিখিত পরীক্ষা; (খ) প্র্যাকটিক্যাল ও (গ) মৌখিক।

(ক) লিখিত পরীক্ষা: প্রথমে আপনাকে ২০ নাম্বারের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এ পরীক্ষায় ১৫-২০ মিনিটের বেশী সময়ের প্রয়োজন হয় না। এতে ৮-১০ মার্কের সংক্ষিপ্ত উত্তর ও বাকী অংশ MCQ প্রশ্ন থাকে। বিআরটিএ’র ওয়েবসাইটে দেওয়া প্রশ্ন ব্যাংক ভালোভাবে দেখে গেলেই লিখিত পরীক্ষায় পাশের নিশ্চয়তা ১০০%। ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার নমুনা প্রশ্নের জন্য https://goo.gl/wzMfzF - এ লিংকে ক্লিক করুন। ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তরের জন্য https://goo.gl/XmcdvR - লিংকে ক্লিক করুন আর MCQ প্রশ্ন-উত্তরের জন্য https://goo.gl/Dg8pxi - লিংকে ক্লিক করুন। 

(খ) প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক পরীক্ষাঃ লিখিত পরীক্ষার পর প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক পরীক্ষার নেওয়া হয়। প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আপনাকেই মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কার নিয়ে যেতে হবে। মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কার না থাকলে সমস্যা নেই। পরীক্ষার স্থানেই আপনি ২০০-৫০০ টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কার পেয়ে যাবেন। ব্যবহারিক পরীক্ষায় সচরাচর জিগজ্যাগ টেস্ট নেয়া হয় অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ৮-১০ টা আকা-বাক খুঁটির মধ্যদিয়ে একবার সামনের দিকে গিয়ে আবার পিছনের দিকে চলে আসতে হয়।

(গ) মৌখিক পরীক্ষাঃ লিখিত পরীক্ষা ও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় পাশ করার পর মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাতে হয়। মৌখিক পরীক্ষায় সচরাচর রোড সাইন ও রোড মার্কিং এর উপর প্রশ্ন ধরা হয়। যেমন- দেয়ালে টাঙ্গানো ব্যানারের কোন একটি চিহ্ন দেখিয়ে বলবে এটা দ্বারা কি বুঝায় এ ধরনের। কিছু নমুনা চিহ্ন https://goo.gl/DXfZhJ- লিংককে দেওয়া হলো। মৌখিক পরীক্ষার সময় আপনার লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সটি বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ রেখে দিবে। ১-২ সপ্তাহ পরে বিআরটিএ অফিস হতে তা আবার সংগ্রহ করতে হবে। 

Saturday, August 12, 2017

বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর)

8:02 AM 1
বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর)
বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার যে সকল সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন আসে তা উত্তরসহ নিচে দেওয়া হ’ল।
MCQ প্রশ্নোত্তরের জন্য https://goo.gl/Dg8pxi-- এ লিংকে ক্লিক করুন।